Translate

অনলাইন আয় সম্পর্কে জানব বেকারত্ব দুর করব

গুগলে অনলাইন আয়ের সকল তথ্য ফ্রিতে পাওয়া যায়, তাই অনলাইন আয়ের সকল ট্রেনিং আপনি ইন্টারনেট থেকে ফ্রি শিখতে পারেন।Odesk, Elance এ প্রোফাইল ১০০% বা সামান্য ফিতে Test পাশে সহায়তা দিই

আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে দেশের সমৃদ্ধি আনব

অতিরিক্ত জনসংখ্যা এখন আর কোন অভিশাপ নয়, সঠিক ব্যবহারে এ জনসম্পদ দক্ষ মানবশক্তিতে রূপান্তরের মাধ্যমে দেশকে মধ্য আয় থেকে উচ্চ আয়ের দেশে রূপান্তর করতে পারে।

আধুনিক যুগে বেকারত্ব লজ্জার ব্যাপার

বেকারত্বকে না বলি ! আপনার যদি একটি পিসি ও ইন্টারনেট লাইন থাকে, আর পিসি সর্ম্পকে ধারনা থাকে, তবে সামান্য ট্রেনিং নিয়ে আপনি নিজকে প্রস্তুুত করে আয় শুরু করতে পারেন।

বেকারত্ব দুরীকরনে অনলাইন আয়ের বিকল্প নাই

সময় এসেছে অজানা ওয়েব দুনিয়া জানার ও বুঝায়, ফেসবুক বা্ ইউটিউবে সময় অপচয় না করে সোস্যাল সাইট গুলির সাফল্য নিজের ঘরে তুলি ।সময় অপব্যয় নয় মিতব্যায়িরা কাঙ্খিত সাফল্য পেতে পারে।

শিক্ষার শেষ নাই, তাই, জানার চেষ্টা আসলেই কি বৃথা

যদি অনলাইন আয়ে আগ্রহী তাহলে SEO, Date Entry বা Graphics etc জানুন, প্রয়োজনে নামেমাত্র সামান্য ফিতে আমাদের সহযোগীতা/টিউটোরিয়াল / ভিডিও টিউটোরিয়াল সহায়তা নিতে যোগাযোগ করুন।

Wednesday, August 20, 2014

ভয়কে করুন জয়, আর্টিকেল রাইটিং এর কাজ আপনারই জন্য

ভয়কে করুন জয়, আর্টিকেল রাইটিং এর কাজ আপনারই জন্য


আর্টিকেল রাইটিং কিভাবে গড়ে দিতে পারে আপনার ক্যারিয়ার ? এই আলোচনায় আসার আগে ছোট্ট একটা ঘটনা বলি, ঘটনাটি আমার দেখা এক আপুর। তিনি এসইও এর ব্যাপারে টুকটাক শুনেছেন। এসইও শেখার খুব আগ্রহ নিয়ে আমার কাছে এলেন পরামর্শ নিতে, ভাল কথা, মোটামুটি একটা ধারনা দেয়ার পর যখন বললাম, আপু বর্তমানে এসইও তে আপনি তখনি ভাল করতে পারবেন যখন আর্টিকেল রাইটিং টা আপনার আয়ত্তে থাকবে। কথাটা শুনে আপু ঘাবড়ে গিয়ে বললেন, ওরে বাপরে আর যত যাই সম্ভব এই আর্টিকেল রাইটিং আমাকে দিয়ে হবে না! আর্টিকেল রাইটিং এর ব্যাপারে এই ভীতিটা আমি অনেকের মাঝে লক্ষ্য করেছি!

ইন্টারনেট মার্কেটিংয়ের রানী সামা কাবানীর জীবন গল্প থেকে শিখার আছে অনেক কিছু

ইন্টারনেট মার্কেটিংয়ের রানী সামা কাবানীর জীবন 

গল্প থেকে শিখার আছে অনেক কিছু

যারা অনলাইন মার্কেটিংয়ের কাজ করেন কিংবা ভবিষ্যতে করার স্বপ্ন দেখেন তারা কি জানেন, ইন্টারনেট মার্কেটিংয়ের রানী কাকে বলে? আমি বলে দিচ্ছি, নাম তার সামা কাবানী। পুরো নাম সামা হায়দার কাবানী। এ তরুনী ১৯৮৫ সালের ২৫ এপ্রিল ভারতের গোয়াতে জন্মগ্রহন করেন।  ভারতে জন্ম হলেও মাত্র ৯ বছর বয়সে তার পরিবারে সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। ২০০৩ সালে ক্যারলটনের আর. এল হাইস্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। তারপর ভর্তি হন ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসে। তিনি টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্গানাইজেশনার কমউনিকেশন এন্ড টেকনোলজি এর উপর মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন ২০০৮ সালে। এখানে মাস্টার্সেন থিসিস করার জন্য তিনি বিষয় নির্ধারণ করেন, “সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং”। এ থিসিস চলাকালীন অবস্থাতে তার মাথাতে  এল মানুষ কেন টুইটারে বা অন্যান্য সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইটগুলো ব্যবহার করে। সেই সময় কিন্তু টুইটার, মাইস্পেস, লিংকডিন প্রভৃতি সোসাল মিডিয়া সাইট সম্পর্কে খুব কম মানুষই জানত।  এমনকি ফেইসবুকের জনপ্রিয়তাও খুব বেশি ছিল না তখন। সামা তার থিসিসের কাজ করার সময় অনুধাবন করলেন যে, সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইটগুলোর মাধ্যমেও যে কোনো কোম্পানীর পন্য প্রমোশন করা সম্ভব। তিনি তার এ নতুন  ধারনাটি অনেকের সাথে শেয়ার করেন।  অনেকেই বিষয়টিকে পাত্তাই দেয়নি।  ম্যাকিনসি ওবং বেইন এন্ড কো. এর মতো  সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানও তার এই ধারনাটিকে বিশ্বাস করতে পারল না। এই প্রতিষ্ঠানটি ভাবল যে, সোসাল নেটওয়ার্কিং সাইট সমূহের দ্বারাআর যা-ই হোক কোনো ভাবেই পণ্যের মার্কেটিং করা সম্ভব নয়, ক্লায়েন্টদের কাছে এই মাধ্যম ব্যবহার করে পৌছানো যাবে না, কিংবা পৌছানো গেলেও আসলে মূল কাজটি কিছুই হবে না।

mmm

 সামা কাবানীর ফেসবুক পেজঃ  facebook.com/ShamaKabaniPage



একনজরে সামা কাবানীর কিছু কর্মঃ

সামা কাবানী একজন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, বেস্টসেলার বইয়ের লেখিকা, পাবলিক স্পিকার এবং টেলিভিশন  ব্যক্তিত্ব। তিনি মার্কেটিং জেন গ্রুপের সিইও। উল্রেখ্য যে, সামা কাবানী ২০০৯ সালে এই ওয়েব মার্কেটিং অ্যাজেন্সি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ওয়েব মার্কেটিং এর উপর তিনটি বই লেখেছেন যেগুলো প্রত্যকটি পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। তার লেখা সোসাল নেটয়ার্কিং সাইটগুলো নিয়ে একটি বই ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে । সামার লেখা প্রথম বই “দ্যা জেন অব সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং” যেটি ২০১০ সালে প্রকাশিত হয় এবং আমাজন ডট কমে বেস্ট সেলার বই হিসেবে বিবেচিত হয়।

তার প্রফেশনাল লাইফঃ

সামা কাবনী ২০০৯ সালে মার্কেটিং বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করার জন্য মার্কেটিং জেন গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন এবং তিনি নিজেই এই প্রতিষ্ঠানের সিইও হন।  মাত্র ১৫০০ ইউএস ডলার মূলধন নিয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করলেও, তিনি তার ব্যবসায়িক নৈপুর্নতার মাধ্যমে খুব অল্পদিনেই একটি প্রভাবশালী বিজনেস জায়ান্টে পরিণত হয়। অল্প কয়েক বছরের মধ্যে মার্কেটিং জেন গ্রুপের মুনাফা ৪০০% বৃদ্ধি পায়। সেই সাথে প্রতিষ্ঠানটির কর্ম পরিধি বৃদ্ধি পায়। ফলে সামা প্রতিষ্ঠানটিকে সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য ২৫ জন তরুণকে নির্বাচিত করলেন তার প্রতিষ্ঠানের ভার্চুয়াল কর্মকর্তা হিসেবে। এই তরুণরা অনলাইনে ক্লায়েন্টদের অনলাইন ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে বিনা মূল্যে সেবা প্রদান করত। সামা কাবানীর মার্কেটিং জেন গ্রুপ ইউরোপ, এশিয়া, সাউথ আমেরিকা প্রভৃতি দেশের ক্লায়েন্টদের অনলাইনে প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন প্রকারের সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে সেবা প্রদান করে ক্লয়েন্টদের আস্থা অর্জন করে।

সামা তার অর্জিত অভিজ্ঞতার আলোকে একটি বই লেখার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি মনস্থির করলেন এমন একটি বই লেখবেন যার মাধ্যমে মানুষ সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইটগুলো সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারনা লাভ করতে পারবে। তাই সামা তার প্রথম বই “” দ্যা জেন অব সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং’ লিখলেন এবং বইটি ২০১০ সালে প্রকাশিত হল। এই বইয়ে তিনি ফেইসবুক, লিংকডিন, টুইটার, মাইস্পেস এর ব্যবহার সম্পর্কে খুব চমৎকারভাবে আলোচনা করেন যাতে এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী সহজে সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলো ব্যবহার করতে পারে। তার বইটি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করল। অবশেষে সামা কাবনী এই বইয়ের মাধ্যমে আমাজন ডট কমের হিসেবে বেস্ট সেলার বইয়ের লেখকের তকমা লাগান।

অনলাইন ব্যবসা সংক্রান্ত যে কোনো বিষয়ে সামা কাবানীর সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য পৃথিবীর তাবৎ মিডিয়াগুলো, ওয়ার স্ট্রিট জার্নাল, হাফিংটন পোস্ট, সিবিএস, ফক্স বিজনেস মুখিয়ে থাকে। তিনি পৃথিবীর সামনের সারির রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতাদের সাথে একই কাতারে বসে বক্তব্য দিয়েছেন। এমনকি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক হোসেন ওবামা এবং দালাই লামার মতো রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতাদের সাথে একই মঞ্চে বসে, অগনিত দর্শকদের সামনে নিজের ভাবনা বিনিময় করেছেন।


sabanai


কর্মের স্বীকৃতস্বরুপ পুরস্কারসমূহঃ

তার কর্মের স্বীকৃতস্বরুপ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান তাকে বিশেষভাবে সম্মানিত করেন। তিনি ২০০৯ সালে ২৫ বছরেরও কম বয়সী ২৫ জন তরুন উদ্যোক্তাদের একজন নির্বাচিত হয়েছেন। তাছাড়া তার প্রতিষ্ঠিত মার্কেটিং জেন গ্রুপ কে  ফোবস ম্যাগাজিন ৫০০ টি বেসরকারীভাবে প্রতিষ্ঠিত  ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অন্যতম একটি হিসেবে উল্লেখ করেছে। সামা তার ব্যবসায়িক সাফল্যের কৃতিত্ব স্বরুপ “টেকনোলজি টাইটান ইমার্জিং কোম্পানী সিইও” পুরস্কারে ভূষিত হন । সম্প্রতি ২০১৩ সালে সামা কাবানীর সৃজনশীল কর্মের বিশেষ নৈপুন্যের ফল হিসেবে আমেরিকার টপ ৩০ জন উদ্যোক্তার তালিকায় তার নামও ওঠে এসেছে যাদের বয়স ৩০ বছরেরও কম। তাছাড়া তিনি হোয়াইট হাউসের সেরা ১০০ জন তরুণ উদ্যোক্তাদের অন্যতম একজন হিসেবে তিনি মনোনিত হয়েছেন।

তার কিছু আন্তরিক প্রয়াস

সামা কাবানী মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব হিসেবে, আন্তর্জাতিক বক্তা হিসেবে, স্ব প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীর সিইও হিসেবে  ভূমিকা রাখার পাশাপাশি আগামী দিনের ক্ষুদে উদ্দোক্তা তৈরিতে ভুমিকা রেখে যাচ্ছেন। তার বিশেষ আগ্রহ হচ্ছে তরুণ-তরুণীদের ক্ষমতায়নে যারা তাদের সৃজনশীল কাজের দ্বারা পৃথিবীকে আর সুশ্রী আরও মনোমুগ্ধকর করতে পারবে। তাইতো যখনই কোনো আন্তর্জাতিক ওয়ার্কশপগুলোতে প্রধান বক্তা হিসেবে আমন্ত্রিত হন, সেখানেই  তরুণ উদ্যোক্তাদের অনুপ্রানিত করেন, তাদের সম্ভাবনার ক্ষেত্র সমূহ তাদের সম্মুখে উপস্থাপন করেন। ২০১১ সালের জুলাই মাসে আমেরিকার ১১ জন তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রতিনিধিদল কায়রো সফর করে। আমেরিকার এই উজ্জ্বল,মেধাবী ও অপরিসীম সম্ভাবনাময়  তরুণ প্রতিনিধি দলের একমাত্র নারী প্রতিনিধি ছিলেন সামা কাবানী। এ সফরটির আয়োজন করেছিল ইউএসএইড এর ইয়াং ইন্টাপ্রেনিউর কাউন্সিল, ডেনমার্ক সরকার এবং মিশরের বিভিন্ন উদ্যোক্তা সংস্থাসমূহ। এই সফরের উদ্দেশ্য ছিল মিশরের তরুন উদ্যোক্তাদের সাথে  নতুন ও সৃজনশীল ব্যবসায়িক ধারনা বিনিময় করা। প্রতিনিধি দলটি মিশরের তরুণদের পরামর্শ প্রদান করে কীভাবে একটি সফল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যায়।

NOVphoto_businessexpo2

এবার নিজের জন্য কিছু শিক্ষণীয়

১। পরিশ্রম একজন মানুষকে কীভাবে বড় করে তুলে সামা কাবানী সম্পর্কে   জানলে খুব ভালভাবে সেটি অনুধান করা যায় ।  আমাদের আশেপাশের মানুষজন একটি মাত্র প্রতিষ্ঠানে জব করেই  হাঁপিয়ে ওঠে, একদিন ছুটি পেলে সেটিকে ঘুমিয়ে কাটায়  কিন্তু সামা কাবানী একাধারে তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীর সিইও, আন্তর্জাতিক বক্তা, প্রযুক্তি পরামর্শক, টেলিভিশনের বিশেষ শো এর উপস্থাপনা ও করেন, লেখালেখিতেও তার অবস্থান বেশ উজ্জ্বল।

২। সামা কাবানী তার  এত ব্যস্ততার পরও তরুণদের কর্মক্ষম করার জন্য যা করছেন, মানুষের যে সেবা করে যাচ্ছেন বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের সামনে একটি অনুকরনীয় দুষ্টান্ত।

তিনি সাপ্তাহিক বিজনেস পরামর্শক কলামে ”আস্ক কাবানী” নামক শিরোনামে ব্যবসা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাঠকের নানা রকম প্রশ্নের জবাব দেন। তিনি তার স্ব প্রতিষ্ঠিত “সামা টিভির” উপস্থাপক যেটি মূলত একটি ওয়েব টেলিভিশন শো যা নতুন মিডিয়া প্রযুক্তির মার্কেটিং কৌশল সংক্রান্ত  বিভিন্ন তথ্য সম্প্রচার করে থাকে । সামা দুটি টেলিভিশন স্টেশনে “সিডব্লিউথ্রিথি এবং কে.ডি.এ.এফ.”-এ সপ্তাহে একটি করে অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন। এগুলো মূলত মানূষকে সামাজিক ভাবে সচেতন করার লক্ষ্যে করে থাকেন।

৩। সামা কাবানী এত বেশি বিখ্যাত হয়েছেন, কারন শুরুর দিকে এবং এখনও অনেক ব্যস্ত হয়ে যাওয়ার পরও বিনামূল্যে অনেক ধরনের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। অথচ আমাদের দেশের মানুষদের বিখ্যাত হওয়ার পরতো দুরের কথা, যখন মাত্র অল্প বিস্তর কিছু শিখা শুরু করে, তখনই তাদের মধ্যে ব্যবসায়িক চিন্তা শুরু হয়ে যায়। যেকাজে কোন আয় নাই, সেটি কেন করবে, এই অংকের হিসাব খুব ভাল জানে। এটা ভাবেনা, তার বিনামূল্যে করা সেবা তাকে অনেক বেশি পরিচিত করে তুলবে। তখন নিজেই ব্রান্ডে পরিণত হবে আর এ ব্রান্ডের জন্যই তার আয় বৃদ্ধি পাবে।

আমাদের দেশের  সামগ্রিক উন্নয়ন তরান্বিত করতে হলে সামা কাবানীর মতো পরিশ্রমী এবং স্বাপ্নীক তরুণ-তরুণীর বেশ প্রয়োজন।

সূত্র - জেনোসিস ব্লগ।

Wednesday, August 6, 2014

আসছে বিভিন্ন ব্যাংক এর নিয়োগ পরীক্ষা এবং ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা। - সুন্দর ভাবে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে নিন অনলাইন-এ।

আসছে বিভিন্ন ব্যাংক এর নিয়োগ পরীক্ষা এবং ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা। - সুন্দর ভাবে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে নিন অনলাইন-এ।


সবাই কেমন আছেন। আশা করি ভাল আছেন। ভালভাবে ঈদ কাটিয়ে আবার
হয়তো কর্ম বাস্ত হয়ে পরেছেন। জীবনটাই এ রকম। আমাদের সব সময় নানা রকম প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়।আবার শত কাজের মাঝেও নিজেকেএই প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার জন্য প্রস্তুত করতে হয়।সে জন্য কিছু পড়া লেখাও করতে হয়। নানান কাজের মাঝে এই পড়া লেখা করার জন্য সব সময় বই খাতা নিয়ে চলা ফেরা করা সম্ভব হয় না।কারন আমাদের এখানে সেখানে দৌড়াতে হয়। কিন্তু বই খাতা নিয়ে দৌড়া দৌরি সম্ভব নয়। কিন্তু আমাদের কাজের প্রয়োজনেই সাথে নিতে হয় ল্যাপটপ কিম্বা হাতে থাকে ট্যাব বা স্মার্ট ফোন এবং আমরা সময় পেলেই এ গুলো ব্যবহার করি। কেমন হয় যদি আমি আমার বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার জন্য

এই আধুনিক ডিভাইস গুলোর মাধ্যমেই প্রস্তুতি নিতে পারি।হ্যাঁ, আমি এ বিষয়েই বলছি। এই সব প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষা যেমন, বিসিএস,
ব্যাংক জব,ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা, এসএসসি, এইচএসসি, পরীক্ষার প্রস্তুতি
সাধারন জ্ঞান এর উপার খুব সুন্দর ও ভালভাবে প্রস্তুতি নেওয়া যায়
অনলাইন-এ।আজকে আমি আপনাদের এ রকম কিছু ওয়েবসাইট এর লিঙ্ক দিব।
১।  জব টেস্ট বিডি
২। বিসিএস প্রস্তুতি
৩। এমসিকিউ টেস্ট
৪। নোট খাতা
৫। এমসিকিউ টেস্ট অ্যাকাডেমি
৬। ই-টেস্ট বিডি
৭। এমসিকিউ মডেল টেস্ট
৮। Exam Care BD
৯। বিগত বছরের বিভিন্ন প্রশ্ন পত্র
১০। পড়া লেখা
সব গুলো অনেক ভাল সাইট। আমরা যেহুতু ডিজিটাল যুগের মানুষ এবং
অনলাইনে আমাদের পদচারনাটা বেশী তাই আমি মনে করি এগুলোর মাধ্যমে
আমরা আমাদের অনলাইনে কাটানো সময় গুলোকে কাজে লাগিয়ে আমাদের
দক্ষতাকে বাড়াতে সক্ষম হব।
আর তেমন কিছু বলবো না। চাইবো আমরা যেন আমাদের অনলাইন এর সময়
গুলো আজ থেকে বাজে ভাবে নষ্ট না করে। নিজেকে এক জন দক্ষ প্রতিযোগী
হিসাবে তৈরি করতে পারি।
ভাল থাকবেন আর চর্চা করবেন।
কারন আমরাই গড়বো সুন্দর বাংলাদেশ.।.।.।.।.।
সূত্র - জেনোসিস ব্লগ। 

Thursday, July 24, 2014

“ইমেইল মার্কেটিং” এ অভিজ্ঞদের জন্য প্রধান ৫ টি কর্মক্ষেত্র এবং আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার ।

“ইমেইল মার্কেটিং” এ অভিজ্ঞদের জন্য প্রধান ৫ টি 

কর্মক্ষেত্র এবং আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার ।

a     ahman Dipu

“ইমেইল মার্কেটিং” হল ইমেইল আদান-প্রদান এর মাধ্যমে কোন পণ্য বা সেবার বিপণন ব্যবস্থা । তারমানে, ইমেইল মার্কেটিং বা সরাসরি বিপণন ব্যবস্থা হল মার্কেটিং-এর এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে সরাসরি কাস্টমারের ইমেইলে কোন কোম্পানির পণ্য বা সেবার বিবরণসহ পণ্য সম্পর্কিত অন্যান্য তথ্যাবলী প্রেরণ করা। যার ফলে কোম্পানির একদিকে যেমন বাড়ছে বিক্রয়ের পরিমাণ, তেমনি সম্প্রসারিত হচ্ছে তাদের সুনাম ও খ্যাতি। এছাড়া ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতেও দিন দিন বাড়ছে ইমেইল মার্কেটিং-এর কাজ। মার্কেটপ্লেসগুলোর তথ্যানুযায়ী, ইমেইল মার্কেটিং এ একজন ফ্রিলান্সার মাসে আয় করছে লাখ টাকাও বেশী। আর তাই আপনার ক্যারিয়ার হিসাবে “ইমেইল মার্কেটিং” হতে পারে Best Choice ।

কাদের জন্য “ইমেইল মার্কেটিং”  জানা জরুরী

অনেকের ধারণা শুধুমাত্র ফ্রিল্যান্সিংয়ে আয় কিংবা অনলাইনে আয়ের জন্যই “ইমেইল মার্কেটিং”  জানা দরকার। আসলে ধারনাটি একদমই ভুল। এসব ছাড়াও আরো অনেক কাজের জন্য “ইমেইল মার্কেটিং” জ্ঞান থাকাটা খুব জরূরী। কারন, অল্পসময়ে বেশী প্রচারের একমাত্র মাধ্যম হল  “ইমেইল মার্কেটিং” ।
১। আপনি কোন একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক আর আপনার কোন নুতন প্রোডাক্টকে প্রচার করবেন
২। যারা স্টুডেন্ট  এবং যাদের পার্ট টাইম জব দরকার
৩। যারা গৃহিণী এবং বাইরে কাজ করার সুযোগ পাছেন না

“ইমেইল মার্কেটিং” শিখে আয় করতে পারবেন যেই কয়টি উপায়ে

১। পিএসডি ইমেইল টেম্পলেট তৈরি করে আয়।

আপনি যদি দৃষ্টিনন্দন ইমেইল টেম্পলেট তৈরি করতে পারেন, তাহলে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস থেকে মাসে গড়ে ৪০০-৬০০ ডলার আয় করতে পারবেন ।

২। এইচটিএমএল ইমেইল টেম্পলেট তৈরি করে আয়।

যদি আপনি এইচটিএমএল দিয়ে ইমেইল টেম্পলেট এবং পিএসডি টু এইচটিএমএল ইমেইল টেম্পলেট তৈরি করতে পারেন, তাহলে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস থেকে মাসে গড়ে ৫০০-১০০০ ডলার আয় করতে পারবেন ।

৩। ইমেইল কনটেন্ট  রাইটার হিসেবে আয়।

রাইটারদের চাহিদা মার্কেটপ্লেসে অনেক বেশি। আপনি যদি ইংলিশে ভাল লিখতে পারেন তাহলে ইমেইল কনটেন্ট রাইটার হিসাবে কাজ করলে আপনি মাসে গড়ে ২০০-৫০০ ডলার আয় করতে পারবেন ।

৪। ইমেইল লিস্ট বিল্ডিং করে আয় ।

ক্লাইয়িন্ট এর জন্য বিভিন্ন niches এর উপর ইমেইল লিষ্ট তৈরী করে দেওয়ার মাধ্যমে আপনি মাসে গড়ে ১০০-৩০০ ডলার আয় করতে পারবেন ।  এছাড়া, ক্লাইয়িন্ট এর ইমেইল লিষ্ট তৈরী করে দেওয়ার সাথে সাথে দিন দিন নিজের পন্য বা সেবার বিক্রয়ের বা এফিলিয়েশনের জন্য বিশাল ইমেইল লিষ্ট তৈরী হতে থাকে । বলতে গেলে এক ঢিলে দুই পাখি ।

৫। অ্যাফিলিয়েশনের মাধ্যমে আয়।

অ্যাফিলিইয়েট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান clickbank, clicksure ইত্যাদিতে জড়িত হয়ে তাদের পণ্য বা সেবা বিক্রির জন্য ইমেইল মার্কেটিং করে আয় করতে পারেন ।  অ্যাফিলিয়েশনের মাধ্যমে আয়ের পরিমান হিসেব করে বলা কষ্টসাধ্য। অ্যাফিলিয়েশন করে মাসে আয় করা যায় ৫০০ ডলার – আনলিমিটেড।
উপরের ৫টি কর্মক্ষেত্রে আপনি কাজ করতে পারবেন, শুধুমাত্র  “ইমেইল মার্কেটিং” ভালভাবে জানা থাকলে । এখানে শুধুমাত্র প্রধান ৫টি কর্মক্ষেত্রের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরো অনেকগুলো ক্ষেত্রেই কাজ করতে পারবেন ইমেইল মার্কেটিং জানা থাকলে। সুতরাং ইমেইল মার্কেটিং ভালভাবে শিখুন, যাতে করে আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার অনেক উজ্জ্বল হবে।
“ইমেইল মার্কেটিং” শিখতে বা এই সম্পর্কিত অন্য আরো কিছু জানার জন্য ফেসবুকগ্রুপে এসে প্রশ্ন করলে খুব সহজে উত্তর পেতে পারবেন।
ফেসবুকে আমি
 সূত্র - টেকটিউনস।

Sunday, July 13, 2014

আউটসোর্সিং কাজ পাওয়ার টিপস

আউটসোর্সিং কাজ পাওয়ার টিপস


ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ অনেকেই করছেন, আবার অনেকে নতুন করে শুরু করতে যাচ্ছেন। অনলাইনে সহজে আউটসোর্সিংয়ের কাজ পেতে কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই চলে। নিচে সে রকম কিছু কৌশল দেওয়া হলো।
 অনেকেই যাঁরা চার-পাঁচটা কাজের (জব) জন্য আবেদন করেই জব (কাজ) পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ ১০০টা আবেদন করেও জব পান না। এটা নির্ভর করে আপনি কত কম মূল্যে (রেটে) আবেদন করেছেন তার ওপর।
 যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড না সেসব বায়ারের জবে আবেদন করবেন না। কারণ, কোনো কনট্রাক্টরকে (ফ্রিল্যান্সার) ভাড়া বা হায়ার করতে হলে তার পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড থাকতে হয়।
 কোনো একটা জব পোস্ট করার পর যত তাড়াতাড়ি সেটিতে আবেদন করবেন ততই ভালো।
 আপনি যত বেশি সময় অনলাইনে (ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে) থাকবেন ততই আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ কিছু কিছু কাজ আছে, যেগুলো পোস্ট করার এক-দুই ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন করে জমা দিতে হয়। যেমন ফেসবুকে বা অন্য কোনো সাইটে ভোট দেওয়া এবং কিছু ভোট সংগ্রহ করে দেওয়া; আবার হঠাৎ করে কোনো ওয়েবসাইটে সমস্যা হয়েছে তা ঠিক করে দেওয়া ইত্যাদি। কাজেই শুরুতে বেশি সময় অনলাইনে থাকার চেষ্টা করুন। যাতে বায়ার আপনাকে কোনো বার্তা পাঠালে সঙ্গে সঙ্গে তার প্রত্যুত্তর দিতে পারেন।
 মার্কেটপ্লেসগুলোতে দেখবেন প্রতি মিনিটে নতুন নতুন জব পোস্ট করা হচ্ছে, সেগুলোতে আবেদন করুন। যেসব জবে কোনো কনট্রাক্টরের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, সেসবে আবেদন না করাই ভালো। কারণ বায়ার যদি এদের মধ্য পছন্দের কনট্রাক্টর পেয়ে যায় তাহলে আর অন্য কনট্রাক্টরের প্রোফাইল চেক করে দেখবে না।
 যেসব জবে শর্ত দেওয়া আছে এবং সেগুলো যদি আপনি পূরণ করতে না পারেন তাহলে আবেদন না করাই ভালো।
 যাঁরা ওডেস্কে দুই-তিনটা কাজ করেছেন, এখন বেশি মূল্য হারে আবেদন করতে চান, তাঁরা যে জবটিতে আবেদন করবেন সে জবের নিচে দেখুন বায়ারের আগের জবগুলোর তালিকা দেওয়া আছে। সেখানে যদি দেখেন বায়ার তাঁর আগের জবগুলোতে বেশি ডলার দিয়ে অন্য কনট্রাক্টরকে কাজ করিয়েছেন, তাহলে আবেদন করতে পারেন। আর যেসব বায়ার আগের জবগুলোতে বেশি ডলারে কাজ করায়নি, তাদের জবে বেশি রেটে আবেদন না করাই ভালো।
সূত্র — মো. আমিনুর রহমান,  দৈনিক প্রথম আলো,  

ঘরে বসে আয়

ঘরে বসে আয়


ঘরে বসে আয়
ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই কাজ করে আয় করা যায়। অনেকে এভাবে কাজ করে স্বাবলম্বীও হয়েছেন। তবে কাজে দক্ষতা না থাকলে এ স্বপ্ন দেখা ঠিক নয়। নতুন অনেকেরই এই ক্ষেত্রটিতে আগ্রহ রয়েছে। অনেকেই জানতে চান বিষয়টি কী এবং কীভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইনে আয় করা যায়। পাঠকদের জন্য ফ্রিল্যান্সিংকে সহজভাবে তুলে ধরতেই এ বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে লেখা প্রকাশিত হচ্ছে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের আদ্যোপান্ত সিরিজটির আজ শেষ পর্ব।
প্রথম পর্ব: ফ্রিল্যান্সিংয়ের আদ্যোপান্ত (পর্ব-১) 
দ্বিতীয় পর্ব: ফ্রিল্যান্সিংয়ের আদ্যোপান্ত (পর্ব-২) 

সহজে কাজ পেতে

১. কেউ কেউ আছেন, যারা ৪-৫টা জবে আবেদন করেই জব (কাজ) পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ আছেন ১০০টা জবের জন্য আবেদন করেও তা পান না। এটা অনেকটাই নির্ভর করে আপনার কাজের দক্ষতা, আপনার অভিজ্ঞতা ও আপনার কাজের পারিশ্রমিক চাওয়ার ওপর। আপনি যদি কাজে দক্ষ হন এবং যদি কাজের মাধ্যমে বায়ারকে সন্তুষ্ট করতে পারেন তবে আপনি সফল হবেনই। আপনার ইংরেজির দক্ষতা এক্ষেত্রে অবশ্যই ভালো ফল দিতে পারে। বাংলা, ইংরেজির পাশাপাশি যদি আরও কয়েকটি ভাষা শিখে ফেলতে পারেন তবে তা আপনার কাজের জন্য বাড়তি সুবিধা দিতে পারে। অনলাইন বিভিন্ন টুলস ব্যবহার করেই এখন আপনি ভাষা শেখার চেষ্টা করতে পারেন। যাঁদের ইংরেজি দুর্বল তারা চর্চা বাড়াতে পারেন।
২. যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফাইড না সেসব বায়ারের জবে আবেদন করবেন না। কারণ, কোনো কনট্রাক্টরকে হায়ার করতে হলে বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফাইড থাকতে হয়।
৩. কাজ পাওয়ার জন্য আপনাকে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে নিয়মিত হতে হবে। আপনি অনলাইন উপস্থিতি বাড়াতে ব্লগ লিখতে পারেন। নিজের পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। এক সময় আপনাকে কাজ খুঁজতে হবে না; বরং বায়াররাই আপনাকে খুঁজে ফিরবে।
৪. কাজ পাবার জন্য আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে। বেশি সময় অনলাইনে থাকতে হবে। বায়ারের সঙ্গে আপনার যোগাযোগ ভালো হতে হবে। আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। তবে নিজেকে সচেতন থাকতে হবে এবং নিজের কাজের দাম নিজেকেই ঠিক করে নিতে হবে।
৫.যেসব জবে শর্ত দেওয়া আছে এবং সেই শর্ত যদি আপনি পূরণ করতে না পারেন তাহলে সেসব জবে আবেদন না করাই ভালো। যেমন, Feedback Score: At least 4.00 এবং oDesk Hours: At least 100 hour অর্থাত্ যাঁদের ফিডব্যাক স্কোর কমপক্ষে ৪.০০ এবং যাঁরা অন্তত ১০০ ঘণ্টা কাজ করেছেন, তারা এই জবে আবেদন করতে পারবেন।
৬.যাঁরা ওডেস্কে ২-৩টা জব (কাজ) করেছেন, এখন বেশি ডলার রেটে আবেদন করতে চান, তাঁরা যে জবটিতে আবেদন করবেন সে জবের নিচে দেখুন বায়ারের আগের জবগুলোর তালিকা দেওয়া আছে। সেখানে যদি দেখেন বায়ার তাঁর আগের জবগুলোতে বেশি ডলার রেট দিয়ে অন্য কনট্রাক্টরকে কাজ করিয়েছেন, তাহলে বেশি ডলার রেটে আবেদন করতে পারেন। আর যেসব বায়ার আগের জবগুলোতে বেশি ডলার রেটে কাজ করায়নি, তাদের জবে বেশি ডলার রেটে আবেদন না করাই ভালো।
গুগল, গুগল এবং গুগল
গুগলকে নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধু বানিয়ে ফেলুন। যেকোনো সফল ফ্রিল্যান্সারকে জিজ্ঞেস করলেই দেখবেন, প্রত্যেকেই বলবে তারা অনেক কিছু গুগল সার্চ করে জেনেছে। বিষয়টি আসলেই সত্যি। যদি কোথাও আটকে যান, তখন গুগল সার্চ করুন। অনলাইনে আপনার সহায়ক অনেক উপকরণ পাবেন।  প্রোফাইল তৈরি থেকে শুরু করে কাজ পাওয়া পর্যন্ত সব কিছুই এখন অনলাইনে পাবেন।
সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোতে সক্রিয় থাকুন। লিংকডইনে তৈরি করুন পেশাদার প্রোফাইল। আপনি ইউটিউব থেকেও টিউটোরিয়াল দেখে নিতে পারেন। অবশ্য একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ শুরুর আগে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা ও উন্নত কনফিগারেশনের কম্পিউটারও প্রয়োজন পড়বে।
নিজেকে সময় দিন
ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে অনেকেই দিন-রাত কিছুই মানেন না । ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে অনেকেই বন্ধুদের সঙ্গেও দেখা করার সুযোগ পান না। এজন্য অনেকেই একা হয়ে পড়েন এবং অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে। ফ্রিল্যান্সিং কাজ শুরু করলেও নিজেকে কিছুটা সময় দিন। বই পড়ুন, বন্ধুদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটান। ঠিক সময়ে ঘুমান। প্রচুর পানি পান করুন। নিজের কাজের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করে যান। শুধু অর্থ আয়ের পেছনে ছোটার চেয়ে নিজের দক্ষতা বাড়িয়ে নিন আগে। ফ্রিল্যান্সিং করে যাঁরা সফল হয়েছেন তাঁদের পরামর্শ হচ্ছে কাজ না শিখে ফ্রিল্যান্সিংয়ে আসবেন না।
সূত্র - মো. আমিনুর রহমান , প্রথম আলো।

ফ্রিল্যান্সিংয়ের আদ্যোপান্ত-২

ফ্রিল্যান্সিংয়ের আদ্যোপান্ত-২


আমিনুর রহমান অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করেন এবং ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে দুইটি বই লিখেছেন।
ফ্রিল্যান্সিং করে এদেশের অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। অনেকেরই নতুন এ ক্ষেত্রটির প্রতি আগ্রহ রয়েছে। অনেকেই জানতে চান বিষয়টি কী এবং কীভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা যায়। পাঠকদের কাছে ফ্রিল্যান্সিংকে সহজভাবে তুলে ধরতেই ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিংয়ের আদ্যোপান্ত। আজকে রইল এর প্রতিবেদনটির দ্বিতীয় পর্ব।
প্রথম পর্ব পড়ুন: ফ্রিল্যান্সিংয়ের আদ্যোপান্ত 
মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইলবর্তমানে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করে বড় ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব। মার্কেটপ্লেসের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ভালো প্রোফাইল তৈরি করা। যোগ্যতা প্রমাণের জন্য প্রোফাইলকে আকর্ষণীয় করে তৈরি করা যায়। প্রোফাইলে তৈরির ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে 
১. হাসিমুখে তোলা একটি ছবি যেখানে আপনার চেহারা পরিষ্কারভাবে বোঝা যাবে।
২. স্কিল টেস্ট দেয়া থাকলে ভালো। ইল্যান্স মার্কেটপ্লেসে প্রচুর স্কিল টেস্ট বিনা খরচেই দেয়া যায়। স্কিল টেস্ট দেয়া থাকলে ক্লায়েন্ট বুঝবেন যে আপনি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নতুন অথবা অভিজ্ঞ যা-ই হন না কেন কাজে আপনার দক্ষতা রয়েছে।
৩. পোর্টফোলিও আইটেম যোগ করা উচিত। পোর্টফোলিও আইটেম হিসেবে নিজের তৈরি লোগো, নিজের বানানো ওয়েবসাইটের স্ক্রিনশট, ইউনিভার্সিটিতে তৈরি করা কোনো প্রেজেন্টেশন, কোনো সার্টিফিকেটের স্ক্যান করা ইমেজ ইত্যাদি দেয়া যেতে পারে। এর সাথে যদি স্কিল টেস্ট থাকে, তাহলে ক্লায়েন্ট জেনে যাবেন যে আপনার শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান আছে তাই নয়, তার সাথে প্র্যাকটিক্যাল কাজ করার অভিজ্ঞতাও আছে। আকর্ষণহীন একটি ফ্রিল্যান্স প্রোফাইল তৈরি করে কাজে আবেদন করলে ক্লায়েন্টরাও সাড়া দেবে না।
কোন ধরনের কাজের জন্য আবেদন করবেন?
কোনো একটা জব ওপেন করে জবের ডান পাশে দেখবেন বায়ারের তথ্য দেওয়া আছে। যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড নট ভেরিফাইড লেখা সেসব বায়ারের কাজের জন্য আবেদন করবেন না। পেমেন্ট মেথড ভেরিভাইড থাকলে তবে আবেদন করবেন।
মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইলক্লায়েন্টের কাছে কাজের জন্য আবেদন করাযখন কোনো কাজে/জবে আবেদন করবেন অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেন আপনার লেখার ধরন প্রফেশনাল হয়। কখনোই কপি-পেস্ট করে আবেদন পাঠাবেন না। এটা করলে কাজ পাওয়া দুরূহ তো হবেই বরং অনেক ক্লায়েন্ট আপনার লেটার স্প্যাম হিসেবে মার্ক করলে মার্কেটপ্লেসের অ্যাকাউন্টটি হারাতে পারেন। যেটা করা উচিত সেটা হলো প্রতিটি জব ভালোভাবে পড়ে তারপর চিন্তা করে গুছিয়ে একটি লেটার লিখে পাঠানো। এ ক্ষেত্রে আপনি একটি ফরম্যাট ফলো করতে পারেন, যেমন:
Hello, Good Day, Good Morning অথবা Evening, ইত্যাদি দিয়ে শুরু করতে পারেন। Dear Sir/Madam, Dear Manager, ইত্যাদি দিয়ে শুরু না করাই ভালো।
তারপর এক লাইনে আপনি তার কাজের বিষয়ে কোনো প্রশ্ন করতে পারেন, এ ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট বুঝবে আপনি তার জবটি পড়েছেন। তারপর ২-৩টি লাইন লিখুন আপনার কোন দক্ষতা তার প্রজেক্টে কাজে আসবে এবং কেন।র ৪-৫টি বুলেট পয়েন্ট করে লিখুন আপনি তার কাজটি পেলে কী কী ধাপে করবেন।
আপনি কোন ফাইল এটাচ (যুক্ত) করে থাকলে উল্লেখ করুন। সর্বশেষে ধন্যবাদ দিয়ে আপনার লেটার শেষ করুন।
এভাবে একটি ফরম্যাট ফলো করলে দেখবেন কখনই কপি-পেস্ট করতে হবে না। তবে হ্যাঁ, দুটি ব্যাপার কখনই করবেন না। একটা হলো লেটারে নিজের ই-মেইল অথবা যোগাযোগের কোনো আইডি উল্লেখ করবেন না এবং কখনই আপনাকে যেন কাজটি দেয় এটা নিয়ে জোর করবেন না। তাহলে ক্লায়েন্ট আপনাকে পেশাদার নাও ভাবতে পারে। নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজের পারিশ্রমিক চাইবেন।
সাক্ষাত্কার
চাকরির বিজ্ঞাপন পড়ে আমরা কী করি? আমরা সেই বিজ্ঞাপন পড়ে ভালো লাগলে সেই চাকরির জন্য জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) পাঠাই।  আউটসোর্সিং সাইটেও যখন কোনো জব পোস্ট করা হয়, তখন অনেকেই আবেদন করেন। তাদের মধ্য থেকে বায়ার কয়েকজনকে সাক্ষাত্কারের জন্য বলেন।  তারপর একজন বা দুইজনকে নিয়োগ (হায়ার) দেয় মানে কাজটি করতে দেয়। এই প্রক্রিয়াটিকেই বলে বিডিং বা বিড করে কাজ পাওয়া।  বায়ার আপনার কভার লেটার এবং প্রোফাইল দেখে পছন্দ করলে আপনাকে মেসেজ দিয়ে ইন্টারভিউ নেবে। আপনিও মেসেজ দিয়ে উত্তর দেবেন। আপনাকে ওই আউটসোর্সিং সাইটেই মেসেজ দেবে যে আপনি আগে কখনো এ ধরনের কাজ করেছেন কি না, কাজটি কত দিনে করতে পারবেন, কত ডলারের বিনিময়ে করে দেবেন ইত্যাদি। আপনিও ওই সাইটেই মেসেজ দিয়ে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবেন। কোনো কোনো বায়ার স্কাইপের মাধ্যমে চ্যাট করতে চায়। তাই স্কাইপে (www.skype.com) একটা অ্যাকাউন্ট খুলে নেবেন। তারপর আপনাকে পছন্দ হলে বায়ার কাজটি করতে দেবে মানে জবটিতে আপনাকে হায়ার (Hire) করবে। জবটি অ্যাকটিভ হবে। তখন আপনার কাছে নোটিফিকেশন আসবে Your contract Job Name started. তারপর কাজ শুরু করবেন। 
একটি কাজের বর্ণনাকীভাবে কাজ করবেন?
আউটসোর্সিং সাইটগুলোতে দুই ধরনের জব আছে। জব আছে দুই ধরনের। আওয়ারলি এবং ফিক্সড প্রাইস। আওয়ারলি জবগুলো আপনার ইচ্ছেমতো করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা দেওয়ার পর বায়ার কাজগুলো দেখে আপনাকে পেমেন্ট দেবেন। আর আওয়ারলি জবের ক্ষেত্রে টাইম ট্র্যাকার সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নেবেন । এই সফটওয়্যারটি ইনস্টল করার পর ওপেন করে সাইন-ইন করে যে জবটি করতে চান সেটি নির্বাচন করে Start বাটনে ক্লিক করবেন। তাহলে ওই সফটওয়্যারটির মাধ্যমে আপনার কাজের সময় গণনা শুরু হবে। ওই সফটওয়্যারটি কিছুক্ষণ পরপর আপনার কম্পিউটারের স্ক্রিনশট নেবে। ঘণ্টায় ৬টির মত। সময় গণনার সাথে সাথে আপনার অ্যাকাউন্টে ডলার জমা হতে থাকবে। কাজ শেষ হওয়ার পর বায়ার ওই স্ক্রিনশটগুলো দেখে বুঝতে পারবে আপনি কাজ করেছেন কি না। কাজ শেষ হওয়ার পর বায়ার যখন আপনাকে পেমেন্ট দিয়ে চুক্তি শেষ করবেন তখন আপনার কাছে একটি নোটিফিকেশন আসবে Buyer Name ended your contract Job Name. তখন বায়ার আপনাকে একটি ফিডব্যাক দেবেন এবং আপনিও বায়ারকে একটি ফিডব্যাক দেবেন। সর্বোচ্চ ৫-এর মধ্যে আপনি বায়ারকে মার্ক দেবেন এবং বায়ার আপনাকে তা দেবেন। কেউ কারোরটা আগে দেখতে পাবেন না। দুই জনে (কনট্রাক্টর এবং বায়ার) ফিডব্যাক দিলেই কেবল একজন অন্য জনেরটা দেখতে পাবেন। কেউ একজন ফিডব্যাক না দিলে বা উভয়েই না দিলে ১৪ দিন পর একজন অন্যজনের ফিডব্যাক দেখতে পাবেন। ১৪ দিন পার হয়ে গেলে আর ফিডব্যাক দেওয়ার সুযোগ থাকে না। আপনি বায়ারের সাথে কাজ করার সময়ই বুঝতে পারবেন আপনার সাথে বায়ারের সম্পর্ক কেমন এবং বায়ার আপনাকে কেমন ফিডব্যাক দিতে পারেন।  ভালো ফিডব্যাক পেলে পরবর্তী সময়ে বেশি কাজ পেতে সুবিধা হয়। বাজে ফিডব্যাক পেলে পরবর্তী সময়ে ভালো কাজ পেতে সমস্যা হয়। তবে আপনি ইচ্ছা করলে ওই বাজে ফিডব্যাক মুছে ফেলতে পারবেন। বায়ার আপনাকে পেমেন্ট দেওয়ার পর সেই পেমেন্ট এক সপ্তাহের মতো পেনডিং (Pending)-এ থেকে তারপর আপনার অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
অর্থ তোলার পদ্ধতি
অনেক কাজ করেছেন। আপনার অ্যাকাউন্টে অনেক ডলার জমা হয়েছে। এখন সেগুলো তুলে আনবেন কীভাবে? অর্থ উত্তোলনের অনেকগুলো পেমেন্ট মেথড বা উপায় আছে। আমাদের দেশের জন্য সবচেয়ে ভালো এবং সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো অয়্যার ট্রান্সফার (Wire Transfer)।
অয়্যার ট্রান্সফার পদ্ধতি
অয়্যার ট্রান্সফার হলো অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকে ডলার ট্রান্সফার করা। এর জন্য বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকে আপনার অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।
পাইওনিয়ার মাস্টারকার্ড পদ্ধতি
অর্থ উত্তোলন করার আরেকটি সহজ পদ্ধতি হলো Payoneer Debit Card। তবে এটি একটু ব্যয়বহুল।
সূত্র - আমিনুর রহমান, প্রথমআলো।