Translate

অনলাইন আয় সম্পর্কে জানব বেকারত্ব দুর করব

গুগলে অনলাইন আয়ের সকল তথ্য ফ্রিতে পাওয়া যায়, তাই অনলাইন আয়ের সকল ট্রেনিং আপনি ইন্টারনেট থেকে ফ্রি শিখতে পারেন।Odesk, Elance এ প্রোফাইল ১০০% বা সামান্য ফিতে Test পাশে সহায়তা দিই

আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে দেশের সমৃদ্ধি আনব

অতিরিক্ত জনসংখ্যা এখন আর কোন অভিশাপ নয়, সঠিক ব্যবহারে এ জনসম্পদ দক্ষ মানবশক্তিতে রূপান্তরের মাধ্যমে দেশকে মধ্য আয় থেকে উচ্চ আয়ের দেশে রূপান্তর করতে পারে।

আধুনিক যুগে বেকারত্ব লজ্জার ব্যাপার

বেকারত্বকে না বলি ! আপনার যদি একটি পিসি ও ইন্টারনেট লাইন থাকে, আর পিসি সর্ম্পকে ধারনা থাকে, তবে সামান্য ট্রেনিং নিয়ে আপনি নিজকে প্রস্তুুত করে আয় শুরু করতে পারেন।

বেকারত্ব দুরীকরনে অনলাইন আয়ের বিকল্প নাই

সময় এসেছে অজানা ওয়েব দুনিয়া জানার ও বুঝায়, ফেসবুক বা্ ইউটিউবে সময় অপচয় না করে সোস্যাল সাইট গুলির সাফল্য নিজের ঘরে তুলি ।সময় অপব্যয় নয় মিতব্যায়িরা কাঙ্খিত সাফল্য পেতে পারে।

শিক্ষার শেষ নাই, তাই, জানার চেষ্টা আসলেই কি বৃথা

যদি অনলাইন আয়ে আগ্রহী তাহলে SEO, Date Entry বা Graphics etc জানুন, প্রয়োজনে নামেমাত্র সামান্য ফিতে আমাদের সহযোগীতা/টিউটোরিয়াল / ভিডিও টিউটোরিয়াল সহায়তা নিতে যোগাযোগ করুন।

Showing posts with label মেদ কমানো. Show all posts
Showing posts with label মেদ কমানো. Show all posts

Tuesday, July 23, 2013

ওজন কমাবার বুলেট টিপস

এখনই ওজন কমান - বুলেট টিপস

ওজন কমাতে খান স্বাস্থ্যকর খাবার। দেখবেন সব সময়ই থাকছেন ফিট।মডেল: দয়িতা
ওজন কমাতে খান স্বাস্থ্যকর খাবার। দেখবেন সব সময়ই থাকছেন ফিট। মডেল: দয়িতা
ঈদের দিন পরবেন বলে সুন্দর একটা পোশাক তো কিনবেন। কিন্তু সেটা গায়ে দিয়ে মনে হচ্ছে, ইশ্, পেটে যদি চর্বি একটু কম হতো, কিংবা হাত দুটো যদি একটু সরু হতো। ব্যস, সুন্দর পোশাকটি পরার আনন্দই মাটি। এমন যাতে না হয়, সে জন্য এখন থেকেই চেষ্টা করতে পারেন। কিছু নিয়ম মেনে চললে ঈদের আগেই ঝরিয়ে ফেলতে পারবেন বাড়তি ওজন। 
ওজন কমাতে শুধু ব্যায়াম যথেষ্ট নয়, খাওয়াদাওয়াতেও আনতে হবে কিছুটা পরিবর্তন। নিয়ন্ত্রিত খাওয়াদাওয়ার সঙ্গে নিয়ম করে যদি ব্যায়াম করেন, তবেই মেদ ঝরবে। এসব কথা জানিয়েছেন ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টি ও পথ্যবিদ শামছুন্নাহার নাহিদ। তিনি জানালেন, মেদ ঝরাতে হলে খাওয়াদাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নিয়মকানুন মানতেই হয়। যাঁরা ওজন কমাতে চান, অবশ্যই কিছু নিয়ম মেনে চলবেন।
 বেশি তেলে ভাজা খাবার বর্জন করতে হবে।
 চর্বিযুক্ত খাবার একদমই খাওয়া যাবে না।
 মিষ্টিজাতীয় খাবারে ক্যালরি বেশি থাকে, তাই খাওয়ার সময় সচেতন হোন।
 প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। 
 অল্প করে, বারে বারে ধীরেসুস্থে খেতে হবে।
 কম তেলে রান্না খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ুন।

ব্যায়াম -
আমরা প্রতিদিন যে খাবার খাই তা থেকে পাওয়া শক্তির সবটাই খরচ হয়ে যায় না। অতিরিক্ত অংশ শরীরে জমা হয়ে ওজন বাড়িয়ে চলে। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম করতে হবে। তাতে শরীরও সুঠাম হবে। সঙ্গে ওজনও কমবে। ফিটনেস ওয়ার্ল্ড হেলথ ক্লাবের স্বত্বাধিকারী ও প্রশিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পরিমিত আহার আর নিয়ন্ত্রিত ব্যায়াম আপনাকে নীরোগ রাখতে পারে। সেই সঙ্গে মেদ কমিয়ে শারীরিক সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করতে পারে। ঈদের আগে ওজন কমাতে চাইলে খাবার গ্রহণে যেমন সচেতন হতে হবে, অন্যদিকে ব্যায়ামও করতে হবে। তবে রোজা রাখলে ভারী ব্যায়াম করা যাবে না একদমই। করতে হবে হালকা ধরনের ব্যায়াম। 
প্রশিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান এ সময়ের উপযোগী কিছু ব্যায়াম করার পরামর্শ দিলেন। ব্যায়ামের শুরুতেই খানিকটা দৌড়ে নিতে পারেন। শরীর উষ্ণ হলে করতে পারেন সাইক্লিং। দড়ি লাফানো খুব ভালো ব্যায়াম, করতে পারবেন বাড়িতেই।দ্রুত ওজন কমাতে বেঞ্চ বেলি দিন। অর্থাৎ বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে দুই হাত সোজা রেখে উঠে মাথার ওপর দিয়ে নামিয়ে পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুল স্পর্শ করুন শরীরের সামর্থ্য অনুযায়ী। হয়তো শুরুতেই আঙুল ছুঁতে পারবেন না, তবে চর্চা করতে থাকুন। তারপর আবার সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে দুই হাত দুদিকে প্রসারিত করতে হবে। পর্যায়ক্রমে ডান হাত দিয়ে বাঁ পায়ের আঙুল এবং বাঁ হাত দিয়ে ডান পায়ের আঙুল স্পর্শ করুন। এভাবে নিয়মিত ব্যায়াম করে ঈদের আগেই খানিকটা ওজন কমাতে পারবেন। 

খাওয়াদাওয়া -
ওজন কমাতে খাদ্যতালিকা তৈরি ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়। তাই ওজন কমাতে একটি সর্বজনীন খাদ্যতালিকা আমরা দেখে নিচ্ছি। খাদ্যতালিকাটি তৈরিতে সাহায্য করেছেন পুষ্টি ও পথ্যবিদ শামছুন্নাহার নাহিদ।

খাওয়া যাবে -
রুটি, ডিমসিদ্ধ, অল্প তেলে রান্না সবজি,
পরিমাণ মতো ভাত অথবা রুটি, মাছ কিংবা মুরগির ঝোল, পাতলা ডাল, অল্প তেলে রান্না শাকসবজি, সালাদ।
এ ছাড়া ঘরে তৈরি খাবার, মুড়ি-মুড়কি ও টকজাতীয় ফল চাইলে খেতে পারেন।

খাওয়া যাবে না -
পরোটা, লুচি, বাটার টোস্ট, ফ্রেঞ্চ টোস্ট, ডিম ভাজি। 
পোলাও, তেহারি, বিরিয়ানি, ফ্রায়েড রাইস, ফ্রায়েড চিকেন, মাছ ভাজা, ঘন ডাল, ভাজি, তেল মাখানো ভর্তা।
এ ছাড়া তেলে ভাজা খাবার ও মিষ্টিজাতীয় ফল খাওয়া যাবে না।
সংগৃহীত - সিদ্ধার্থ মজুমদার , দৈনিক প্রথম আলো, তারিখ: ২৪-০৭-২০১৩

Tuesday, February 5, 2013

বাড়তি ওজন কিভাবে কমাবেন

 বাড়তি  ওজন  কিভাবে কমাবেন
স্বাস্থ্য রক্ষায় আমরা এখন অনেক সচেতন ও বিজ্ঞানমনস্ক। অতিরিক্ত মেদবহুলতা বা স্থূলতা এখন তাই সামাজিক সমস্যার চেয়ে স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। মেদবহুলতা বা অতিরিক্ত ওজন ও øেহ পদার্থের আধিক্য সাধারণভাবে মেদবহুলতা মনে করা হয়। এর পরিমাপ হল বডি-মাস-ইনডেক্স বা সংক্ষেপে বিএমআই।

বিএমআই-১৮.৫ থেকে ২২.৯-এর ভেতর থাকাটা বাঞ্ছনীয় বা আদর্শ। যাদের বিএমআই ২৭.৫-এর ওপরে তারা স্থূল/মেদবহুল। পক্ষান্তরে, বিএমআই ২৩-২৭.৪-এর মধ্যে তারা অতিরিক্ত ওজনদার বা ওভারওয়েট। অন্যভাবে বলা যায়, উচ্চতা অনুযায়ী আদর্শ ওজনকে ১০০% ধরা হলে যাদের ওজন আদর্শ ওজনের ১০১%-১১৯%-এর মধ্যে তাদের রয়েছে ‘অতিরিক্ত ওজন’ এবং যাদের ১২০%-এর ওপরে তারা স্থূল। সাধারণত মানব দেহে দুই ধরনের চর্বিজাতীয় পদার্থ জমা হয়Ñ
প্রথমত, অতিরিক্ত চর্বি নিতম্ব ও ঊরুদেশে জমা হয়। একে ‘গাইনয়েড ডিস্ট্রিবিউশন’ বলে। এতে শরীরের আকৃতি অনেকটা নাশপাতির মতো হয়। এটা সাধারণত নারীদের ক্ষেত্রে ঘটে থাকে।
দ্বিতীয়ত, অতিরিক্ত øেহ পদার্থ পেটে জমা হয়। দেহকে আপেলের মতো আকৃতি দান করে। অর্থাৎ উদরদেশ স্ফীত হয়। একে ‘অ্যান্ড্রয়েড ডিস্ট্রিবিউশন’ বলে। এটা নারী-পুরুষ উভয়ের মাঝেই দেখা যায় এবং এ ধরনের øেহ পদার্থের সঞ্চয় রোগের ঝুঁকি বহন করে। রোগের কারণ মেদবহুলতার নানা কারণের মধ্যে প্রথমেই আসে আচরণগত ব্যাপার। সমীক্ষায় দেখা গেছে, মেদবহুল লোকেরা চিরাচরিতভাবেই (ক্যালরি খরচের তুলনায়) কম খাদ্য গ্রহণের কথা বলে থাকেন। এটা হতে পারে ছোটখাটো দু-একটি খাবার যা ঘন ঘন খাওয়া হয় অথচ আমল দেয়া হয় না। কিছু হরমোন সংক্রান্ত ব্যক্তি বা এন্ডোক্রাইন ডিজিজ। যেমনÑ ঈঁংযরহম’ং উরংবধংব, চড়ষুপুংঃরপ ঙাধৎু ঝুহফৎড়সব ইত্যাদিও মেদবহুলতার সঙ্গে সম্পৃক্ত। কিছু কিছু ওষুধও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে ওজন বাড়ায় যেমনÑ ক্লোরপ্রোমাজিন জাতীয় ওষুধ (মাথা ঘোরানো বা বমির জন্য), এমিট্রিপটিলিন (দুশ্চিন্তা দূরকারক), ভ্যালপ্রোয়েট, কার্বামাজেপিন ইত্যাদি। গবেষণায় দেখা গেছে, তিনটি বিষয় ভবিষ্যতে ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে তোলে।
 যথাÑ
প্রথমত, বিপাকক্রিয়া কম হওয়া। দ্বিতীয়ত, উচ্চ শ্বাসনিক অনুপাত অর্থাৎ অধিক শর্করা জাতীয় খাদ্যের বিপাক।
তৃতীয়ত, ইনসুলিন হরমোন যা ডায়াবেটিস হতে বাধা দেয়, তার কার্যক্ষমতা হ্রাস।
মেদবহুলতার সঙ্গে যে সব রোগের ঝুঁকি রয়েছে তা হলÑ ডায়াবেটিস, হƒদরোগ, ক্যান্সার, স্ট্রোক, পিত্তথলির রোগ, বাত ও চর্মরোগ, হারনিয়া, স্ট্রেস ইনকন্টিনেন্স, বন্ধ্যত্ব, শ্বাসতন্ত্রের রোগ।
চিকিৎসকের পরামর্শে ওজন কমানোর ওষুধ খেলে ফল পাওয়া যায়। বর্তমানে অরলিস্টেট উপাদানে তৈরি এক প্রকার ওষুধ চর্বি পরিপাক ও শোষণে বাধার সৃষ্টি করে চর্বিকে রক্তে শোষিত হতে দেয় না। এর পাশাপাশি এ ওষুধ কোলস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক। এছাড়াও লাইপোসাকশন ও লাইপোলাইসিস নামক সার্জারিও করা যায়। লাইপোসাকশনে নলের মাধ্যমে চর্বি গলিয়ে দেহের বাইরে আনা হয়। লাইপোলাইসিসে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে পরিবর্তন ঘটিয়ে (লেজার থেরাপি) দেহের বাড়তি চর্বি কমিয়ে আনা যায়। এ প্রক্রিয়ায় কোন কাঁটা-ছেড়ার প্রয়োজন হয় না এবং রক্তক্ষরণও হয় না।




ডা. দিদারুল আহসান
ত্বক ও যৌনব্যাধি বিশেষজ্ঞ