Translate

অনলাইন আয় সম্পর্কে জানব বেকারত্ব দুর করব

গুগলে অনলাইন আয়ের সকল তথ্য ফ্রিতে পাওয়া যায়, তাই অনলাইন আয়ের সকল ট্রেনিং আপনি ইন্টারনেট থেকে ফ্রি শিখতে পারেন।Odesk, Elance এ প্রোফাইল ১০০% বা সামান্য ফিতে Test পাশে সহায়তা দিই

আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে দেশের সমৃদ্ধি আনব

অতিরিক্ত জনসংখ্যা এখন আর কোন অভিশাপ নয়, সঠিক ব্যবহারে এ জনসম্পদ দক্ষ মানবশক্তিতে রূপান্তরের মাধ্যমে দেশকে মধ্য আয় থেকে উচ্চ আয়ের দেশে রূপান্তর করতে পারে।

আধুনিক যুগে বেকারত্ব লজ্জার ব্যাপার

বেকারত্বকে না বলি ! আপনার যদি একটি পিসি ও ইন্টারনেট লাইন থাকে, আর পিসি সর্ম্পকে ধারনা থাকে, তবে সামান্য ট্রেনিং নিয়ে আপনি নিজকে প্রস্তুুত করে আয় শুরু করতে পারেন।

বেকারত্ব দুরীকরনে অনলাইন আয়ের বিকল্প নাই

সময় এসেছে অজানা ওয়েব দুনিয়া জানার ও বুঝায়, ফেসবুক বা্ ইউটিউবে সময় অপচয় না করে সোস্যাল সাইট গুলির সাফল্য নিজের ঘরে তুলি ।সময় অপব্যয় নয় মিতব্যায়িরা কাঙ্খিত সাফল্য পেতে পারে।

শিক্ষার শেষ নাই, তাই, জানার চেষ্টা আসলেই কি বৃথা

যদি অনলাইন আয়ে আগ্রহী তাহলে SEO, Date Entry বা Graphics etc জানুন, প্রয়োজনে নামেমাত্র সামান্য ফিতে আমাদের সহযোগীতা/টিউটোরিয়াল / ভিডিও টিউটোরিয়াল সহায়তা নিতে যোগাযোগ করুন।

Wednesday, August 20, 2014

ভয়কে করুন জয়, আর্টিকেল রাইটিং এর কাজ আপনারই জন্য

ভয়কে করুন জয়, আর্টিকেল রাইটিং এর কাজ আপনারই জন্য


আর্টিকেল রাইটিং কিভাবে গড়ে দিতে পারে আপনার ক্যারিয়ার ? এই আলোচনায় আসার আগে ছোট্ট একটা ঘটনা বলি, ঘটনাটি আমার দেখা এক আপুর। তিনি এসইও এর ব্যাপারে টুকটাক শুনেছেন। এসইও শেখার খুব আগ্রহ নিয়ে আমার কাছে এলেন পরামর্শ নিতে, ভাল কথা, মোটামুটি একটা ধারনা দেয়ার পর যখন বললাম, আপু বর্তমানে এসইও তে আপনি তখনি ভাল করতে পারবেন যখন আর্টিকেল রাইটিং টা আপনার আয়ত্তে থাকবে। কথাটা শুনে আপু ঘাবড়ে গিয়ে বললেন, ওরে বাপরে আর যত যাই সম্ভব এই আর্টিকেল রাইটিং আমাকে দিয়ে হবে না! আর্টিকেল রাইটিং এর ব্যাপারে এই ভীতিটা আমি অনেকের মাঝে লক্ষ্য করেছি! বিশ্বাস করুন, বর্তমানে যারা সফল আর্টিকেল রাইটার তাদের মধ্যে অন্তত ৬০% যাত্রার শুরুতে এ কথাটাই বলেছেন। অথচ তারাই এখন আর্টিকেল রাইটিং এর মাধ্যমে ক্যারিয়ারের নতুন মাইলফলক রচনা করে চলেছেন, করছেন নিজেদের ব্র্যান্ডিং। আমার এ লেখা সেই সব আপু ও ভাইয়াদের জন্য যারা আর্টিকেল রাইটিং সম্পর্কে ভীতিকর মনোভাব পোষণ করে বসে আছেন। আপনারা আমার সাথে থাকুন, আমি কয়েকটি পর্বে আর্টিকেল রাইটিং নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আশা করছি, আমার এ লেখা থেকে আপনারা উপকৃত হবেন এবং আর্টিকেল রাইটিং এর ব্যাপারে আপনাদের যে ভয় তা ঝেটিয়ে বিদায় করতে সক্ষম হবেন।
পর্ব-১ এ আমি আর্টিকেল রাইটিং এর সাথে জড়িত এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে চেষ্টা করেছি যা স্বাভাবিক ভাবেই আপনাদের মনে আসতে পারে। পরবর্তী পর্ব গুলোতে আমি ধাপে ধাপে আর্টিকেল রাইটিং সংক্রান্ত সকল ব্যাপারগুলো আলোচনা করবো।

আর্টিকেল রাইটিং

ট্রাডিশনাল আর্টিকেল রাইটিং এবং এসইও আর্টিকেল রাইটিং এর মাঝে পার্থক্য কি ?


দেখুন আপনার হয়তো মনে হতে পারে যে, বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়াতে আপনি নানা বিষয়ে যে সব আর্টিকেল পড়ে থাকেন এসইও এর ক্ষেত্রে আর্টিকেল রাইটিং ও একই রকম। কিন্তু ব্যাপারটি ঠিক সেরকম নয়। গতানুগতিক আর্টিকেল রাইটিং এর চেয়ে এসইও আর্টিকেল রাইটিং অনেকাংশেই ভিন্ন। বর্তমান বিশ্বে যেভাবে ইন্টারনেট মার্কেটিং এবং ই-কমার্সের পরিধি বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে বিশাল এক গ্লোবাল মার্কেটের সৃষ্টি হয়েছে। এখন এই গ্লোবাল মার্কেটের সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে নিজস্ব পণ্য, সেবা বা প্রতিষ্ঠানের সফল মার্কেটিং এর জন্য দরকার সৃজনশীল ও দক্ষ ডিজাইনার এবং রাইটারের।
article writing
 এ ধরনের চাহিদাই ফ্রিলেন্স রাইটিং এর ক্ষেত্রে আর্টিকেল লেখার নতুন একটি ধারার সৃষ্টি করেছে। ট্রাডিশনাল আর্টিকেল লেখার সময় আপনি আপনার আবেগ, অনুভূতি, নিজস্ব ধারনাকে কিছুটা সাহিত্যের আবহে ফুটিয়ে তুলতে পারেন অর্থাৎ এমনভাবে লেখাটি লিখতে হয় যাতে পাঠক পড়ে আনন্দ পায়। কিন্তু এসইও এর ক্ষেত্রে যে আর্টিকেল লেখা হয় তাতে আপনাকে মনোযোগ দিতে হবে নতুন নতুন ও কার্যকর তথ্যাবলী প্রদানের দিকে, যাতে পাঠক আপনার লেখাটি পড়ে নতুন কিছু জানতে পারে এবং তাদের মাঝে আরও জানার আগ্রহ তৈরী হয়। সেই সাথে পণ্য বা সেবাটি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হয়। আর এ জন্য আপনি মনগড়া কোন লেখা লিখলে চলবে না। আপনাকে আর্টিকেল লেখার বিষয়টি সম্পর্কে ভালমতো জানতে হবে, বুঝতে হবে, অনুসন্ধান করতে হবে। সেই সাথে ইন্টারনেট ও ই-কমার্সের ধারাকে বুঝতে আর্টিকেল রাইটারকে সবসময় এসইও সংক্রান্ত ধারনাগুলোর নিত্যনতুন আপডেটের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। মূলত আপনি তখনি একজন ভালোমানের আর্টিকেল রাইটার হয়ে উঠতে পারবেন যখন আপনি আপনার লেখার বিষয়টি নিয়ে পড়াশুনা করবেন। কারন সফল হতে হলে পরিশ্রমের বিকল্প আর কিছুই নেই।



কেন আর্টিকেল রাইটিং এসইও তে এতটা গুরুত্ব বহন করে?


এখন আপনি বলতে পারেন, এসইও এর তো হাজারো কাজ রয়েছে তাহলে আমি বার বার আর্টিকেল রাইটিং কে কেন এতো গুরুত্বপূর্ণ বলছি?

article writing
বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে (যেমনঃ google, yahoo, being ইত্যাদি) আপনার ওয়েবসাইট টিকে প্রথম পেজে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আর্টিকেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটু সহজ করে বলি, ধরুন আপনি একটি পণ্য বা সেবার জন্য আর্টিকেল লিখে অনলাইনের কোন একটি মাধ্যমে পোস্ট করলেন। যদি আপনার আর্টিকেলটি ইনফরমেটিভ হয় এবং পাঠককে মোটিভেট করতে সক্ষম হয় তাহলে নিশ্চিতভাবে আপনার ফ্যান সংখ্যা বাড়বে, যারা আপনার লেখা থেকে আরও নতুন কিছু জানতে আগ্রহী হয়ে উঠবে, আপনার আর্টিকেল টি নেটের বিভিন্ন লিঙ্ক এ শেয়ার করা শুরু করবে। এতে কি হবে, যে যে এই পণ্য বা সেবাটি পেতে আগ্রহী তারা আপনার ওয়েবসাইটে ( ওয়েবসাইট টি হতে পারে আপনার নিজস্ব কিংবা যে ওয়েবসাইট টির জন্য আপনি কাজ করছেন) ভিজিট করবে, কেউ কেউ পণ্য ক্রয় করতে বা সেবাটি পেতে আগ্রহ দেখাবে। ফলে একদিকে সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ওয়েবসাইটের পেজ রেঙ্ক বাড়বে অন্যদিকে পণ্য বা সেবার ক্রেতার সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে অথবা সংস্থাটির প্রচার বাড়বে।
গুগলের পেঙ্গুইন আপডেটের পর এসইও করার ক্ষেত্রে আর্টিকেল রাইটিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে। তাই গুণসম্পন্ন আর্টিকেল লেখার বিকল্প আর কিছুই নেই।



অনলাইনে ক্যারিয়ার শুরুর মাধ্যম হিসেবে আর্টিকেল রাইটিং কতটা নির্ভরযোগ্য?


এসইও সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজের মধ্যে আপনি কেন আর্টিকেল রাইটিং কে বেছে নিবেন? কি, এমনি তো প্রশ্ন জাগছে মনে তাই না? আসলে আমি মনে করি, বর্তমানে আর্টিকেল রাইটিং হলো এসইও এর মেরুদণ্ড। যদি আপনি আর্টিকেল রাইটিং কে নিজের আয়ত্বে নিয়ে আসতে পারেন তাহলে গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি আপনার কাজের অভাব হবে না। আপনি নিজেই google এ সার্চ দিয়ে দেখুন না আর্টিকেল রাইটিং এর উপর সারা বিশ্বে কতো কাজ অফার করা হচ্ছে। তাছাড়া বাংলাদেশেই তো রয়েছে এমন অনেক দৃষ্টান্ত যারা আর্টিকেল রাইটিং এর মাধ্যমে নিজেদের ক্যারিআর গড়ে নিয়েছেন। আসলে ব্যাপারটা হলো, এসইও এর সাথে আর্টিকেল রাইটিং এমনভাবে জড়িত যে এসইও সংক্রান্ত অধিকাংশ কাজেই আপনাকে আর্টিকেল রাইটিং করতে হতে পারে। এখন আপনি যদি এর মাধ্যমে আপনার ক্যারিআর শুরু করেন তাহলে আপনার শেকড় তো প্রথমেই পোক্ত হয়ে গেলো।
opportunity go
এ ক্ষেত্রে আপনাকে আমি প্রথমেই কিছু বিষয়ে সতর্ক করে দেইঃ

o নিজের সাথে ক্লিয়ার হয়ে নিন, কেন আপনি আর্টিকেল রাইটিং করতে চাচ্ছেন? এখানে আপনার স্বার্থ কি? আপনি আসলে আর্টিকেল রাইটিং এর মাধ্যমে কি অর্জন করতে চাইছেন? যদি উত্তর আসে আপনার নিজের ব্রান্ডিং এবং সেই সাথে নিজের ক্যারিআরকে গড়ে নেয়া, তাহলে বুঝবেন আপনি সঠিক পথে আছেন। কারন কোন নির্দিষ্ট লক্ষ্য ছাড়া যাত্রাপথ কিন্তু খুব বেশি দূর বিস্তৃত হতে পারে না।

o ক্যারিআরের শুরুতে যা ইচ্ছা তা নিয়ে লেখা শুরু না করে আপনার আগ্রহ আছে এমন বিষয়ে লেখা শুরু করুন। এতে আপনি বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করার সুযোগ পাবেন। এক্ষেত্রে আমার পরামর্শ হলো, এসইও সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে লেখার চেষ্টা করুন।
o ব্যাপারটা যেন এমন না হয়, আপনি কোন একটা বিষয়ে লিখলেন, পাঠক আপনার লেখা পড়ে স্বাভাবিকভাবে এটাই ভাববে আপনি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ। তারা আপনাকে কোন প্রশ্ন করলো আর আপনি তার সঠিক উত্তর দিতে পারলেন না।
o একটি কথা নিজের মনের মাঝে গেঁথে নিন যে, আপনি লিখছেন ক্যারিয়ার গড়তে, তাই এতে যত কষ্টই হউক না কেনো তার মুখোমুখি হওয়ার মন মানসিকতা রাখতে হবে।

আর্টিকেল রাইটিং এর মাধ্যমে ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে সফল হলেন যারা


বর্তমানে যারা আর্টিকেল রাইটিং এর সাথে যুক্ত আছেন এবং আর্টিকেল রাইটিং এর মাধ্যমে নিজেদের ব্রান্ডিং করে ক্যারিয়ারের মাইলফলক রচনা করেছেন এমন কয়েকজন ব্যাক্তির মধ্যে রয়েছেন MD EKRAM, HABIBUR RAHMAN DIPU, NURUL AREFIN, MARJAN AHMED সহ আরও অনেকে।
তাছাড়া Creative IT থেকে কোর্স করে বের হওয়া এমন অনেক নতুন মুখ আর্টিকেল রাইটিং এর জগতে সফলভাবে পা রেখেছেন যাদের লেখাগুলো আপনি http://genesisblogs.com/ এ গিয়ে পড়তে পারেন।
Google হচ্ছে আপনার এমন একজন গুরু যাকে আপনি যাই জিজ্ঞেস করুন না কেন সে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে সব সময় বসে আছে। তাই নিজে একটু কষ্ট করে গুগুলে ঘাটাঘাটি করে আসুন। আমি আপনাদের সুবিধার্থে বাংলাদেশের Top কিছু Blogsite এর নাম দিয়ে দিচ্ছি। যেখানে গেলে আপনি এসইও নিয়ে, আর্টিকেল রাইটিং নিয়ে হাজারো আর্টিকেল পাবেন। দেখতে পাবেন সেই মুখগুলো যারা এক্ষেত্রে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে -
 www.techtunes.com.bd
 www.tunerpage.com
 www.pechelplinebd.com
 www.BigganProjukti.com
 www.techspate.com
 www.bdrong.com
 www.techmasterblog.com
 www.techshohor.com
 www.Moumachibd.com
 www.techpriyo.com

এ তো গেলো বাংলাদেশের কিছু ব্লগসাইট। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অনলাইনে খুবই জনপ্রিয় কিছু ব্লগসাইট হলো -
 Blogging
 squidoo
 Ezine@rticle
 Bukisa
 Hubpages
 Ghost bloggers
 Hire writers
 Article tellers
এ রকম হাজারো ব্লগসাইট আপনি খুজে পাবেন গুগলে।
সেই সাথে যারা ঘরে পত্রিকা রাখেন, প্রথম আলো, যুগান্তর, কালের কন্ঠ, সমকাল, জনকন্ঠ সহ বিভিন্ন পত্রিকায় কয়েকদিন পর পরই সেই সব মুখগুলো নিয়ে লেখা হয় যারা
Freelancing করে বিভিন্ন সম্মানজনক পুরস্কারে ভূষিত হচ্ছেন।

হোম ওয়ার্ক

এখন সব কিছু বুঝে-শুনে চুপ করে থাকলে কিন্তু হবে না। কাজে নেমে পড়তে হবে। আমি যেহেতু কয়েকদিন পর পর আপনাদের জন্য নতুন পোস্ট দেবো সুতরাং এর ফাঁকে আপনাকে প্র্যাকটিস করতে হবে। কারন বেশি বেশি করে প্র্যাকটিস না করলে কোনদিনই আপনি এসইও এর কাজ শিখতে পারবেন না। আগামী পোস্ট পাওয়ার আগে আপনাদের যা করা উচিত হবে তা হলো :

o আর্টিকেল রাইটিং শিখবেন এ নিয়ে ছোট্ট একটা প্ল্যান করে ফেলুন, যাতে আমার আর্টিকেল এর পর্বগুলো শেষ হওয়ার সাথে সাথে আপনারও আর্টিকেল লেখা আয়ত্তে চলে আসে ।

o আপনার মনে আর্টিকেল রাইটিং এর ব্যাপারে যতো প্রশ্ন আসে তা গুগলে সার্চ করুন।
o বাংলা-ইংরেজি ব্লগ গুলোতে একটু ঘাটাঘাটি করে আসুন।

আজ এ পর্যন্তই। যদি কিছু জানতে চান কিংবা কোন সমস্যায় পড়েন তাহলে ভিজিট করুন এই গ্রুপ এ । আশা রাখি, আর্টিকেল রাইটিং না শেখা পর্যন্ত আমরা কেউ কাউকেই ছাড়ছি না। ভালো থাকবেন সবাই…।
সূত্র :  Sumaiya rahman, Genosis Blog

ইন্টারনেট মার্কেটিংয়ের রানী সামা কাবানীর জীবন গল্প থেকে শিখার আছে অনেক কিছু

ইন্টারনেট মার্কেটিংয়ের রানী সামা কাবানীর জীবন 

গল্প থেকে শিখার আছে অনেক কিছু

যারা অনলাইন মার্কেটিংয়ের কাজ করেন কিংবা ভবিষ্যতে করার স্বপ্ন দেখেন তারা কি জানেন, ইন্টারনেট মার্কেটিংয়ের রানী কাকে বলে? আমি বলে দিচ্ছি, নাম তার সামা কাবানী। পুরো নাম সামা হায়দার কাবানী। এ তরুনী ১৯৮৫ সালের ২৫ এপ্রিল ভারতের গোয়াতে জন্মগ্রহন করেন।  ভারতে জন্ম হলেও মাত্র ৯ বছর বয়সে তার পরিবারে সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। ২০০৩ সালে ক্যারলটনের আর. এল হাইস্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। তারপর ভর্তি হন ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসে। তিনি টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্গানাইজেশনার কমউনিকেশন এন্ড টেকনোলজি এর উপর মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন ২০০৮ সালে। এখানে মাস্টার্সেন থিসিস করার জন্য তিনি বিষয় নির্ধারণ করেন, “সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং”। এ থিসিস চলাকালীন অবস্থাতে তার মাথাতে  এল মানুষ কেন টুইটারে বা অন্যান্য সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইটগুলো ব্যবহার করে। সেই সময় কিন্তু টুইটার, মাইস্পেস, লিংকডিন প্রভৃতি সোসাল মিডিয়া সাইট সম্পর্কে খুব কম মানুষই জানত।  এমনকি ফেইসবুকের জনপ্রিয়তাও খুব বেশি ছিল না তখন। সামা তার থিসিসের কাজ করার সময় অনুধাবন করলেন যে, সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইটগুলোর মাধ্যমেও যে কোনো কোম্পানীর পন্য প্রমোশন করা সম্ভব। তিনি তার এ নতুন  ধারনাটি অনেকের সাথে শেয়ার করেন।  অনেকেই বিষয়টিকে পাত্তাই দেয়নি।  ম্যাকিনসি ওবং বেইন এন্ড কো. এর মতো  সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানও তার এই ধারনাটিকে বিশ্বাস করতে পারল না। এই প্রতিষ্ঠানটি ভাবল যে, সোসাল নেটওয়ার্কিং সাইট সমূহের দ্বারাআর যা-ই হোক কোনো ভাবেই পণ্যের মার্কেটিং করা সম্ভব নয়, ক্লায়েন্টদের কাছে এই মাধ্যম ব্যবহার করে পৌছানো যাবে না, কিংবা পৌছানো গেলেও আসলে মূল কাজটি কিছুই হবে না।

mmm

 সামা কাবানীর ফেসবুক পেজঃ  facebook.com/ShamaKabaniPage



একনজরে সামা কাবানীর কিছু কর্মঃ

সামা কাবানী একজন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, বেস্টসেলার বইয়ের লেখিকা, পাবলিক স্পিকার এবং টেলিভিশন  ব্যক্তিত্ব। তিনি মার্কেটিং জেন গ্রুপের সিইও। উল্রেখ্য যে, সামা কাবানী ২০০৯ সালে এই ওয়েব মার্কেটিং অ্যাজেন্সি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ওয়েব মার্কেটিং এর উপর তিনটি বই লেখেছেন যেগুলো প্রত্যকটি পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। তার লেখা সোসাল নেটয়ার্কিং সাইটগুলো নিয়ে একটি বই ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে । সামার লেখা প্রথম বই “দ্যা জেন অব সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং” যেটি ২০১০ সালে প্রকাশিত হয় এবং আমাজন ডট কমে বেস্ট সেলার বই হিসেবে বিবেচিত হয়।

তার প্রফেশনাল লাইফঃ

সামা কাবনী ২০০৯ সালে মার্কেটিং বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করার জন্য মার্কেটিং জেন গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন এবং তিনি নিজেই এই প্রতিষ্ঠানের সিইও হন।  মাত্র ১৫০০ ইউএস ডলার মূলধন নিয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করলেও, তিনি তার ব্যবসায়িক নৈপুর্নতার মাধ্যমে খুব অল্পদিনেই একটি প্রভাবশালী বিজনেস জায়ান্টে পরিণত হয়। অল্প কয়েক বছরের মধ্যে মার্কেটিং জেন গ্রুপের মুনাফা ৪০০% বৃদ্ধি পায়। সেই সাথে প্রতিষ্ঠানটির কর্ম পরিধি বৃদ্ধি পায়। ফলে সামা প্রতিষ্ঠানটিকে সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য ২৫ জন তরুণকে নির্বাচিত করলেন তার প্রতিষ্ঠানের ভার্চুয়াল কর্মকর্তা হিসেবে। এই তরুণরা অনলাইনে ক্লায়েন্টদের অনলাইন ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে বিনা মূল্যে সেবা প্রদান করত। সামা কাবানীর মার্কেটিং জেন গ্রুপ ইউরোপ, এশিয়া, সাউথ আমেরিকা প্রভৃতি দেশের ক্লায়েন্টদের অনলাইনে প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন প্রকারের সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে সেবা প্রদান করে ক্লয়েন্টদের আস্থা অর্জন করে।

সামা তার অর্জিত অভিজ্ঞতার আলোকে একটি বই লেখার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি মনস্থির করলেন এমন একটি বই লেখবেন যার মাধ্যমে মানুষ সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইটগুলো সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারনা লাভ করতে পারবে। তাই সামা তার প্রথম বই “” দ্যা জেন অব সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং’ লিখলেন এবং বইটি ২০১০ সালে প্রকাশিত হল। এই বইয়ে তিনি ফেইসবুক, লিংকডিন, টুইটার, মাইস্পেস এর ব্যবহার সম্পর্কে খুব চমৎকারভাবে আলোচনা করেন যাতে এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী সহজে সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলো ব্যবহার করতে পারে। তার বইটি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করল। অবশেষে সামা কাবনী এই বইয়ের মাধ্যমে আমাজন ডট কমের হিসেবে বেস্ট সেলার বইয়ের লেখকের তকমা লাগান।

অনলাইন ব্যবসা সংক্রান্ত যে কোনো বিষয়ে সামা কাবানীর সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য পৃথিবীর তাবৎ মিডিয়াগুলো, ওয়ার স্ট্রিট জার্নাল, হাফিংটন পোস্ট, সিবিএস, ফক্স বিজনেস মুখিয়ে থাকে। তিনি পৃথিবীর সামনের সারির রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতাদের সাথে একই কাতারে বসে বক্তব্য দিয়েছেন। এমনকি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক হোসেন ওবামা এবং দালাই লামার মতো রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতাদের সাথে একই মঞ্চে বসে, অগনিত দর্শকদের সামনে নিজের ভাবনা বিনিময় করেছেন।


sabanai


কর্মের স্বীকৃতস্বরুপ পুরস্কারসমূহঃ

তার কর্মের স্বীকৃতস্বরুপ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান তাকে বিশেষভাবে সম্মানিত করেন। তিনি ২০০৯ সালে ২৫ বছরেরও কম বয়সী ২৫ জন তরুন উদ্যোক্তাদের একজন নির্বাচিত হয়েছেন। তাছাড়া তার প্রতিষ্ঠিত মার্কেটিং জেন গ্রুপ কে  ফোবস ম্যাগাজিন ৫০০ টি বেসরকারীভাবে প্রতিষ্ঠিত  ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অন্যতম একটি হিসেবে উল্লেখ করেছে। সামা তার ব্যবসায়িক সাফল্যের কৃতিত্ব স্বরুপ “টেকনোলজি টাইটান ইমার্জিং কোম্পানী সিইও” পুরস্কারে ভূষিত হন । সম্প্রতি ২০১৩ সালে সামা কাবানীর সৃজনশীল কর্মের বিশেষ নৈপুন্যের ফল হিসেবে আমেরিকার টপ ৩০ জন উদ্যোক্তার তালিকায় তার নামও ওঠে এসেছে যাদের বয়স ৩০ বছরেরও কম। তাছাড়া তিনি হোয়াইট হাউসের সেরা ১০০ জন তরুণ উদ্যোক্তাদের অন্যতম একজন হিসেবে তিনি মনোনিত হয়েছেন।

তার কিছু আন্তরিক প্রয়াস

সামা কাবানী মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব হিসেবে, আন্তর্জাতিক বক্তা হিসেবে, স্ব প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীর সিইও হিসেবে  ভূমিকা রাখার পাশাপাশি আগামী দিনের ক্ষুদে উদ্দোক্তা তৈরিতে ভুমিকা রেখে যাচ্ছেন। তার বিশেষ আগ্রহ হচ্ছে তরুণ-তরুণীদের ক্ষমতায়নে যারা তাদের সৃজনশীল কাজের দ্বারা পৃথিবীকে আর সুশ্রী আরও মনোমুগ্ধকর করতে পারবে। তাইতো যখনই কোনো আন্তর্জাতিক ওয়ার্কশপগুলোতে প্রধান বক্তা হিসেবে আমন্ত্রিত হন, সেখানেই  তরুণ উদ্যোক্তাদের অনুপ্রানিত করেন, তাদের সম্ভাবনার ক্ষেত্র সমূহ তাদের সম্মুখে উপস্থাপন করেন। ২০১১ সালের জুলাই মাসে আমেরিকার ১১ জন তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রতিনিধিদল কায়রো সফর করে। আমেরিকার এই উজ্জ্বল,মেধাবী ও অপরিসীম সম্ভাবনাময়  তরুণ প্রতিনিধি দলের একমাত্র নারী প্রতিনিধি ছিলেন সামা কাবানী। এ সফরটির আয়োজন করেছিল ইউএসএইড এর ইয়াং ইন্টাপ্রেনিউর কাউন্সিল, ডেনমার্ক সরকার এবং মিশরের বিভিন্ন উদ্যোক্তা সংস্থাসমূহ। এই সফরের উদ্দেশ্য ছিল মিশরের তরুন উদ্যোক্তাদের সাথে  নতুন ও সৃজনশীল ব্যবসায়িক ধারনা বিনিময় করা। প্রতিনিধি দলটি মিশরের তরুণদের পরামর্শ প্রদান করে কীভাবে একটি সফল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যায়।

NOVphoto_businessexpo2

এবার নিজের জন্য কিছু শিক্ষণীয়

১। পরিশ্রম একজন মানুষকে কীভাবে বড় করে তুলে সামা কাবানী সম্পর্কে   জানলে খুব ভালভাবে সেটি অনুধান করা যায় ।  আমাদের আশেপাশের মানুষজন একটি মাত্র প্রতিষ্ঠানে জব করেই  হাঁপিয়ে ওঠে, একদিন ছুটি পেলে সেটিকে ঘুমিয়ে কাটায়  কিন্তু সামা কাবানী একাধারে তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীর সিইও, আন্তর্জাতিক বক্তা, প্রযুক্তি পরামর্শক, টেলিভিশনের বিশেষ শো এর উপস্থাপনা ও করেন, লেখালেখিতেও তার অবস্থান বেশ উজ্জ্বল।

২। সামা কাবানী তার  এত ব্যস্ততার পরও তরুণদের কর্মক্ষম করার জন্য যা করছেন, মানুষের যে সেবা করে যাচ্ছেন বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের সামনে একটি অনুকরনীয় দুষ্টান্ত।

তিনি সাপ্তাহিক বিজনেস পরামর্শক কলামে ”আস্ক কাবানী” নামক শিরোনামে ব্যবসা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাঠকের নানা রকম প্রশ্নের জবাব দেন। তিনি তার স্ব প্রতিষ্ঠিত “সামা টিভির” উপস্থাপক যেটি মূলত একটি ওয়েব টেলিভিশন শো যা নতুন মিডিয়া প্রযুক্তির মার্কেটিং কৌশল সংক্রান্ত  বিভিন্ন তথ্য সম্প্রচার করে থাকে । সামা দুটি টেলিভিশন স্টেশনে “সিডব্লিউথ্রিথি এবং কে.ডি.এ.এফ.”-এ সপ্তাহে একটি করে অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন। এগুলো মূলত মানূষকে সামাজিক ভাবে সচেতন করার লক্ষ্যে করে থাকেন।

৩। সামা কাবানী এত বেশি বিখ্যাত হয়েছেন, কারন শুরুর দিকে এবং এখনও অনেক ব্যস্ত হয়ে যাওয়ার পরও বিনামূল্যে অনেক ধরনের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। অথচ আমাদের দেশের মানুষদের বিখ্যাত হওয়ার পরতো দুরের কথা, যখন মাত্র অল্প বিস্তর কিছু শিখা শুরু করে, তখনই তাদের মধ্যে ব্যবসায়িক চিন্তা শুরু হয়ে যায়। যেকাজে কোন আয় নাই, সেটি কেন করবে, এই অংকের হিসাব খুব ভাল জানে। এটা ভাবেনা, তার বিনামূল্যে করা সেবা তাকে অনেক বেশি পরিচিত করে তুলবে। তখন নিজেই ব্রান্ডে পরিণত হবে আর এ ব্রান্ডের জন্যই তার আয় বৃদ্ধি পাবে।

আমাদের দেশের  সামগ্রিক উন্নয়ন তরান্বিত করতে হলে সামা কাবানীর মতো পরিশ্রমী এবং স্বাপ্নীক তরুণ-তরুণীর বেশ প্রয়োজন।

সূত্র - জেনোসিস ব্লগ।

Wednesday, August 6, 2014

আসছে বিভিন্ন ব্যাংক এর নিয়োগ পরীক্ষা এবং ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা। - সুন্দর ভাবে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে নিন অনলাইন-এ।

আসছে বিভিন্ন ব্যাংক এর নিয়োগ পরীক্ষা এবং ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা। - সুন্দর ভাবে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে নিন অনলাইন-এ।


সবাই কেমন আছেন। আশা করি ভাল আছেন। ভালভাবে ঈদ কাটিয়ে আবার
হয়তো কর্ম বাস্ত হয়ে পরেছেন। জীবনটাই এ রকম। আমাদের সব সময় নানা রকম প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়।আবার শত কাজের মাঝেও নিজেকেএই প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার জন্য প্রস্তুত করতে হয়।সে জন্য কিছু পড়া লেখাও করতে হয়। নানান কাজের মাঝে এই পড়া লেখা করার জন্য সব সময় বই খাতা নিয়ে চলা ফেরা করা সম্ভব হয় না।কারন আমাদের এখানে সেখানে দৌড়াতে হয়। কিন্তু বই খাতা নিয়ে দৌড়া দৌরি সম্ভব নয়। কিন্তু আমাদের কাজের প্রয়োজনেই সাথে নিতে হয় ল্যাপটপ কিম্বা হাতে থাকে ট্যাব বা স্মার্ট ফোন এবং আমরা সময় পেলেই এ গুলো ব্যবহার করি। কেমন হয় যদি আমি আমার বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার জন্য

এই আধুনিক ডিভাইস গুলোর মাধ্যমেই প্রস্তুতি নিতে পারি।হ্যাঁ, আমি এ বিষয়েই বলছি। এই সব প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষা যেমন, বিসিএস,
ব্যাংক জব,ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা, এসএসসি, এইচএসসি, পরীক্ষার প্রস্তুতি
সাধারন জ্ঞান এর উপার খুব সুন্দর ও ভালভাবে প্রস্তুতি নেওয়া যায়
অনলাইন-এ।আজকে আমি আপনাদের এ রকম কিছু ওয়েবসাইট এর লিঙ্ক দিব।
১।  জব টেস্ট বিডি
২। বিসিএস প্রস্তুতি
৩। এমসিকিউ টেস্ট
৪। নোট খাতা
৫। এমসিকিউ টেস্ট অ্যাকাডেমি
৬। ই-টেস্ট বিডি
৭। এমসিকিউ মডেল টেস্ট
৮। Exam Care BD
৯। বিগত বছরের বিভিন্ন প্রশ্ন পত্র
১০। পড়া লেখা
সব গুলো অনেক ভাল সাইট। আমরা যেহুতু ডিজিটাল যুগের মানুষ এবং
অনলাইনে আমাদের পদচারনাটা বেশী তাই আমি মনে করি এগুলোর মাধ্যমে
আমরা আমাদের অনলাইনে কাটানো সময় গুলোকে কাজে লাগিয়ে আমাদের
দক্ষতাকে বাড়াতে সক্ষম হব।
আর তেমন কিছু বলবো না। চাইবো আমরা যেন আমাদের অনলাইন এর সময়
গুলো আজ থেকে বাজে ভাবে নষ্ট না করে। নিজেকে এক জন দক্ষ প্রতিযোগী
হিসাবে তৈরি করতে পারি।
ভাল থাকবেন আর চর্চা করবেন।
কারন আমরাই গড়বো সুন্দর বাংলাদেশ.।.।.।.।.।
সূত্র - জেনোসিস ব্লগ।